একুশে পদকপ্রাপ্ত অভিনয়শিল্পী ও নাট্যকার মাসুম আজিজ আর নেই

একুশে পদকপ্রাপ্ত অভিনয়শিল্পী ও নাট্যকার মাসুম আজিজ মারা গেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। আজ সোমবার বেলা ২টা ৪৫ মিনিটে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ‘লাইফ সাপোর্টে’ ছিলেন মাসুম আজিজ। ক্যান্সার ও হৃদরোগে ভুগছিলেন তিনি। চলতি বছরের ২ জানুয়ারি তার ক্যান্সার ধরা পড়ে। তখন থেকেই স্কয়ার হাসপাতালে তিনি চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। মাসুম আজিজের স্ত্রী এবং দুই সন্তান রয়েছে। তার দাফনের বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

অভিনয়শিল্পী পরিচয় ছাড়াও মাসুম আজিজ চিত্রনাট্যকার ও নাট্যনির্মাতা হিসেবে পরিচিত। মঞ্চ, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রে অভিনয়ের খ্যাতি রয়েছে তার। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালীন তিনি থিয়েটারে কাজের মাধ্যমে অভিনয়ে আত্মপ্রকাশ করেন। এরপর ১৯৮৫ সালে তিনি প্রথম টিভি নাটকে অভিনয় করেন। হুমায়ূন আহমেদের ‘উড়ে যায় বকপক্ষী’, সালাউদ্দিন লাভলুর ‘তিন গ্যাদা’সহ অসংখ্য টিভি নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি।

‘ঘানি’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য ২০০৬ সালে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা হিসেবে রাইসুল ইসলাম আসাদের সাথে যুগ্মভাবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন মাসুম আজিজ। ‘গহীনে শব্দ’, ‘এই তো প্রেম’, ‘গাড়িওয়ালা’সহ বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। সরকারি অনুদানে নির্মিত চলচ্চিত্র ‘সনাতন গল্প’ পরিচালনা করেছেন। ছবিটি ২০১৮ সালে মুক্তি পায়। ২০২২ সালে একুশে পদক পেয়েছেন মাসুম আজিজ।

আমি টিকটক করি ফান করে, দেশের বিরুদ্ধে তো কিছু করিনি: সাব্বির

আমি টিকটক করি ফান করে। আমি মনে করি না এটা অনেক বড় কারণ বা অপরাধ হতে পারে। দেশের বিরুদ্ধে তো কিছু করছি না। এমনটা জানিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের ডানহাতি ব্যাটার সাব্বির রহমান। রবিবার (১৬ অক্টোবর) রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লাইভে আসেন সাব্বির রহমান। লাইভে এসে এসব কথা জানান তিনি। এ সময় তার বিরুদ্ধে নেতিবাচক নিউজ করা একটি প্রথম সারির পত্রিকাকে দেখে নেয়ার হুমকিও দেন তিনি। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার কথাও বলেন সাব্বির।

লাইভে সাব্বির বলেন, অনেক সাংবাদিক ভাইয়েরা আছেন যারা আমার পারসোনাল লাইফ নিয়ে অনেক বেশি চিন্তিত। আশা করি আমার পারসোনাল লাইফ নিয়ে এতো চিন্তা করার কিছু নেই। কারণ দিনশেষে দেখেন আমি একজন প্রফেশনাল প্লেয়ার। আমার ব্যক্তিগত জীবন আছে। হ্যাঁ, আমি টিকটক করেছি মজা করার জন্য। আমি টিকটক করে অন্যায় কিছু করিনি। দেশের বিরুদ্ধে কিছু তো করিনি। কিন্তু সাংবাদিক ভাইয়েরা এটা এমনভাবে তুলে ধরেছেন, যেন আমি অনেক বড় অন্যায় করেছি। কিন্তু আমারও পরিবার আছে। তারা অনেক সময় বুঝতে পারে না নিউজটা আসলে পজেটিভ নাকি নেগেটিভ দিকে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, আমার আব্বু আম্মু আছেন, ওয়াইফ আছে, ফ্রেন্ডস ফ্যামিলি সবাই আছে। আমি মনে করি না টিকটক নিয়ে এত বড় কিছু হওয়ার। এটা জাস্ট ফর ফান। সবারই তো পারসোনাল লাইফ থাকতেই পারে। এটা নিয়ে আশা করি এতো বলা উচিত না। যেভাবে সাংবাদিক ভাইয়েরা আমার টিকটক বা অন্য কিছু নিয়ে নিউজ করেছে আসলে এটা গ্রহণযোগ্য না। কারণ এটা আলাদা চ্যাপ্টার। এটা আমি করেছি জাস্ট আমার ফানের জন্য, মজা করার জন্য, একটু রিফ্রেশমেন্টর জন্য।

ওয়ার্ল্ড কাপ নিয়ে সাব্বির বলেন, ওয়ার্ল্ড কাপ থেকে বাদ পড়েছি এ নিয়ে কোনো আক্ষেপ নেই আমার। কোনো ইমোশন নেই। আমি ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ খেলেছি ভালো। এ টিমের জন্য ভালো খেলেছি। সে জন্য এশিয়া কাপে চান্স দিয়েছিল আমাকে। বাট দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমি চার ম্যাচে কিছু করতে পারিনি। এই কারণেই আামাকে বাদ দিয়েছে। এর জন্য কিন্তু আমি অখুশি না। বাট আমার জায়গায় যারা খেলছে, আমি মনে করি তারা অবশ্যই আমার চেয়ে যোগ্য। আর দিন শেষে বাংলাদেশ যদি জিতে তাইলে সবচেয়ে আমিও খুশি হবো। সামনে ন্যাশনাল লিগ হচ্ছে। আমি থার্ড রাউন্ড থকে জয়েন করবো। আবার গুছিয়ে খেলার চেষ্টা করবো। ভালো খেলাই আমার লক্ষ্য। দেশকে রিপ্রেজেন্ট করাই আমার লক্ষ্য।

উল্লেখ্য, নিউজিল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজ ছিল বাংলাদেশের পরীক্ষা ও প্রস্তুতির মঞ্চ। কোনো ম্যাচ না জিতে প্রস্তটি ভালো না হলেও পরীক্ষা হয়েছে একাধিক খেলোয়াড়ের। মূল দলে থেকেও জায়গা হারাতে হয় সাব্বির ও সাইফউদ্দিনকে। দু’জনের ত্রিদেশীয় সিরিজের পারফরম্যান্সই ছন্নছাড়া। সাব্বির বারবার সুযোগ পেয়েও ব্যর্থ হয়েছেন। সাইফউদ্দিনের বোলিং তেমন কোনো কাজেই আসছে না। পাশাপাশি শতভাগ ফিট কিনা তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। এ জন্য দু’জনকে দল থেকে বাদ দেয়া হয়।

About admin

আমার পোস্ট নিয়ে কোন প্রকার প্রশ্ন বা মতামত থাকলে কমেন্ট করে জানাতে পারেন অথরা মেইল করতে পারেন admin@sottotv.com এই ঠিকানায়।