রবিবার , নভেম্বর 27 2022

১২ বছর আগে মারা যাওয়া বিএনপি নেতাকে গ্রেপ্তার করতে বাড়িতে পুলিশ

আগামী শনিবার (১২ নভেম্বর) ফরিদপুরে বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশের আগে বিএনপির নেতা-কর্মীদের বাড়িতে বাড়িতে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযান থেকে বাদ যায়নি ১২ বছর আগে মারা যাওয়া বাচ্চু মিয়া আলী নামে এক বিএনপি নেতার বাড়িও। মঙ্গলবার (৮ নভেম্বর) রাত ১১টার দিকে ওই নেতাকে গ্রেপ্তার জন্য তার বাসায় পুলিশ অভিযান চালিয়েছে।

জানা গেছে, বাচ্চু মিয়া ২০১০ সালের ২৮ আগস্ট মারা যান। পরে তাকে ওই এলাকার মিয়াপাড়া কবরস্থানে দাফন করা হয়। মঙ্গলবার রাতে ওই বাড়িতে ছিলেন বাচ্চু মিয়ার স্ত্রী মৌসুমী আলী, ছেলে মাহির আরাফাত আলী (১৬) ও মেয়ে অন্তরা মালিয়া (২৫)। তবে তারা কেউই রাজনীতি করেন না।

বাচ্চু মিয়ার স্ত্রী মৌসুমী আলী জানান, মঙ্গলবার রাতে পুলিশের দুই সদস্য বাড়ির সামনে এসে দরজায় ধাক্কা দিয়ে ডাকাডাকি করতে থাকেন। এ সময় তারা বলেন, আমরা ঢাকা থেকে এসেছি। দরজা খুলুন, বাচ্চু মিয়া আলীকে ডাকেন আমরা ওনাকে নিতে এসেছি। এ সময় আমি তাদের বলি, তাকে (বাচ্চু মিয়া) নিতে হলে কবরস্থান থেকে নিয়ে যেতে হবে। তিনি বেঁচে নেই। তখন পুলিশ সদস্যরা বলেন, দরজা না খুললে, কীভাবে খুলতে হয় তা আমরা জানি। তখন আমি বলি, ‘রাতে দরজা খোলা যাবে না, আপনারা অপেক্ষা করেন সকালে দরজা খুলব। পরে বুধবার সকালে থানায় গিয়ে স্বামীর মৃত্যুসনদ জমা দেই।

ফরিদপুর কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এ জলিল সাংবাদিকদের বলেন, পুলিশ ওয়ারেন্ট তামিল করতে ওই বাড়িতে গিয়েছিল। বাচ্চু মিয়া নয়, তার ছেলের নামে ওয়ারেন্ট ছিল। আদালত থেকে পাওয়া ওয়ারেন্টেও তথ্যগত ত্রুটি থাকতে পারে। আমরা ওয়ারেন্ট যাচাই করে দেখছি।

মাটি খুঁড়তে গিয়ে মিলল ২০ বছর আগের অক্ষত লাশ!

ভেকু মেশিন দিয়ে মাটি খুঁড়ার সময় ২০ বছর আগে দাফন করা একটি অক্ষত লাশের দেখা মিলেছে নোয়াখালীতে। এ ঘটনায় বেশ চাঞ্চল্যর সৃষ্টি হয়েছে এলাকাজুড়ে। মঙ্গলবার বিকেলের দিকে উপজেলার কাবিলপুর ইউনিয়নের পশ্চিম কাবিলপুর গ্রামের সুফি সাহেব হুজুর মাজার সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেলের দিকে কাবিলপুর ইউনিয়নের পশ্চিম কাবিলপুর গ্রামের সুফি সাহেব হুজুর মাজার সংলগ্ন একটি ব্রিজের কাজ চলছিল। ওই সময় ভেকু মেশিন দিয়ে মাটি খুঁড়ার সময় লাশের একটি অংশ বেরিয়ে আসে। এমন খবর ছড়িয়ে পড়লে লাশটি এক নজর দেখার জন্য মানুষ ভিড় জমায়।

স্থানীয় কাবিলপুর গ্রামের বয়জ্যেষ্ঠ লোকমান মিয়া (৭৫) জানান, লাশটি কাবিলপুর গ্রামের বিশিষ্ঠ ইসলামী চিন্তবিদ সুফি সাহেব হুজুরের বাড়ির সুফি সাহেবের ভাতিজা সফিউল্ল্যার। তিনি চট্টগ্রামের আমিন জুটমিলে চাকরি করতেন। ২০০২ সালে তিনি মারা যান। তিনি ছিলেন নামাজি ব্যক্তি। বেশ ভালো মানুষ হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

স্থানীয় বাসিন্দা ইকবাল হোসেন জানান, লাশটি স্থানান্তর নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে। সফিউল্ল্যার ছেলেসহ পরিবারের সদস্যরা চাইছেন লাশটি ওই স্থান থেকে সরিয়ে একই কবরস্থানে পূর্ণ কবরস্থ করার জন্য। কিন্তু সুফি সাহেবের নাতীরা অন্যত্র কবরের জায়গা নেই বলে একই স্থানে কবর দেওয়া জন্য অটল থাকে। এতে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনে।

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল হোসেন পাটোয়ারীর জানান, একটি লাশ অক্ষত অবস্থায় এলাকাবাসী দেখতে পেয়েছে বলে শুনেছি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়।

Check Also

কুমিল্লার সমাবেশে বিএনপি সমর্থকদের ঢল, মোবাইল ইন্টারনেট সেবা বিঘ্নিত, সমাবেশস্থল থেকে রুমিন ফারহানার মোবাইল চুরি

আজ সকাল থেকে কুমিল্লায় বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশ চলছে। সমাবেশস্থলে বিএনপি নেতাকর্মীদের ঢল দেখা যায়। আজ …