সেন্টমার্টিনে ভেসে এলো জনশূন্য বিদেশি জাহাজ, রয়েছে কোটি টাকার সম্পদ!

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে ফুঁসে উঠেছে সাগর। আর প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিনেও শুরু হয়েছে ঝড়ো হাওয়া। এই হাওয়ায় সেন্টমার্টিনের ছেড়া দ্বীপে একটি বিদেশি জাহাজ ভেসে এসেছে। ওই জাহাজে কোনো মানুষ নেই। তবে রয়েছে অনেক মালামাল। সম্পদের পরিমাণ কোটি টাকাও হতে পারে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা।
সোমবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে কোনো মানুষ ছাড়া জাহাজটি ছেড়া দ্বীপে ভেসে আসে। তবে জাহাজটি কোথা থেকে এসেছে সে বিষয়ে কেউ কিছু বলতে পারেনি।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, দুপুরে সাগর থেকে জাহাজটি ধীরে ধীরে তীরের দিকে ভেসে আসে। এতে অনেক কন্টেইনার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় মালামাল রয়েছে। সম্পদের পরিমাণ কোটি টাকাও হতে পারে।

ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়ে সেন্টমার্টিনে ভেসে এলো নাবিকবিহীন জাহাজ

দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনের বঙ্গোপসাগরে ভেসে এলো নাবিকবিহীন পুরনো বিশাল আকারের একটি বিদেশি জাহাজ। জাহাজের ভেতরে রয়েছে কন্টেইনারসহ বেশ কিছু সরঞ্জামাদি।

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের মুখে পড়ে ভেসে এসে ছেঁড়া দ্বীপে আটকা পড়েছে। সোমবার (২৪ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, নাবিকবিহীন জাহাজটির ওপরের অংশ খোলা। এতে অনেক কন্টেইনার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় মালামাল রয়েছে। জাহাজটিতে কয়েক কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে বলে একাধিক সূত্র জানায়।

সেন্ট মার্টিনের বাসিন্দা কামরুল ইসলাম বলেন, জাহাজটি প্রথমে পর্যটকবাহী মনে করেছিলাম। পরে কাছে গিয়ে দেখি এটি একটি কন্টেইনারবোঝাই জাহাজ। সেখানে কারো দেখা মেলেনি। যদি প্রশাসনের কেউ না আসে, তবে গুরুত্বপূর্ণ মালামাল লুট হতে পারে।

আব্দুল হক নামে এক যুবক বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়ে জাহাজটি তীরে এসেছে। এটা কোন দেশের সেটাও বুঝতে পারছি না।

সেন্ট মার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান বলেন, বিদেশি জাহাজের খবরটি স্থানীয়রা জানালে পুলিশ প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করি। আপাতত কিছু বলতে পারছি না।

সেন্টমার্টিন কোস্টগার্ডের স্টেশন কমান্ডার লে. রাজীব বলেন, সেন্টমার্টিনের ছেঁড়াদ্বীপ এলাকায় একটি BARGE (বার্জ) আটকে পড়ে। BARGE (বার্জ) টি ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে ঝড়ো হাওয়া ও তীব্র স্রোতের কারণে ছেঁড়া দ্বীপে এসে আটকা পড়েছে।

“বার্জ হচ্ছে একধরনের নৌযান যা দিয়ে বিভিন্ন কার্গো বা মালামাল পরিবহন করা হয়। এটি টাগবোট/অন্য ইঞ্জিন চালিত নৌযানের সাহায্যে টো করে বা টেনে নেওয়া হয়।”

লে. রাজীব বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা ককরা হচ্ছে ট্রলিং বার্জটটি হয়তো অন্য কোন জাহাজের সঙ্গে বাঁধা ছিল। কোন না কোন কারণে এই ট্রলিং বার্জটি ছেড়ে দেয়া হয়েছে। পরবর্তী যা ভেসে এসে ছেঁড়াদ্বীপে আটকা পড়ে। তবে এব্যাপারে তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে।

Check Also

Lamar University Study Abroad Programs

Studying abroad is an experience that goes beyond academic learning; it’s a chance to grow …