কাতার বিশ্বকাপেও খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি!

কাতারে চলছে ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ। যেখানে অংশ নিয়েছে ৩২টি দল। তবে সেই দলগুলোর মাঝে বাংলাদেশ না থাকলেও বাংলাদেশি ও প্রবাসীদের সরব উপস্থিতি রয়েছে মাঠজুড়ে। প্রতি ম্যাচেই পছন্দের দলের হয়ে গলা ফাঁটাতে হাজির হচ্ছেন তারা।

এদিকে কাতার বিশ্বকাপ ফুটবল মাঠে ‘খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই’ ও ‘টেক ব্যাক বাংলাদেশ’ স্লোগানের প্লাকার্ড হাতে অবস্থান নেন বিএনপি সমর্থিত নেতাকর্মীরা। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ব্রাজিল ও সার্বিয়ার খেলা চলাকালে বেশ কয়েকজন টিশার্ট পরে এবং হাতে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন। দলটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এমন কয়েকটি ছবি পোস্টও করা হয়েছে।

কাতার বিশ্বকাপের আসরে অবস্থান করছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদ। তিনি সমকালকে বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া শুধু বাংলাদেশের নেত্রী নন, তিনি পুরো বিশ্বের গণতন্ত্রের মুক্তির আন্দোলনের নেত্রী। গণতন্ত্রের প্রতীক। তাঁকে আজ বাংলাদেশের ফ্যাসিবাদী সরকার অন্যায়ভাবে আটক করে রেখেছে। তাঁর মুক্তির জন্য দলের অনেক নেতাকর্মী বিশ্বের একটি প্ল্যাটফর্মকে ব্যবহার করছে।’

নজরুল ইসলাম আজাদ আরও বলেন, “দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার আন্দোলনকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে ‘টেক ব্যাক বাংলাদেশ’ স্লোগান সূচনা করছে।”

সব বিভাগে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

দেশের সব বিভাগে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শুক্রবার (২৫ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) ৫ম জাতীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের প্রথম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আমরা করে দিয়েছিলাম। এখন প্রতিটি বিভাগে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় করে দিচ্ছি। আমাদের দেশে মাতৃ মৃত্যুহার, শিশু মৃত্যুহার বেশি ছিল। মাতৃমৃত্যু কমানোর জন্য বিনা পয়সায় ওষুধ দেওয়া হচ্ছে। কিছু লোক দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থায় আস্থা রাখতে পারে না উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের কিছু ধনী লোক সর্দি-কাশি হলেই বিদেশে চলে যায়। করোনার সময় তারা বিদেশে যেতে না পেরে বাধ্য হয়েই দেশে চিকিৎসা নিয়েছে।

তিনি বলেন, ৭৫ সালে জাতির পিতাকে হত্যার পর দখলের মাধ্যমে ক্ষমতা গ্রহণের পর আর কোনোদিনই শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতার পালাবদল হয়নি। ২০০১ নির্বাচনে তত্ত্বাবধায়ক সরকার সিস্টেম ছিল। আমরা সে সময় শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছি। ভোটচুরির অপরাধে খালেদা জিয়াকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করেছিল বাংলাদেশের জনগণ। এরপরে যে নির্বাচন হয় সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে।

স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম ইকবাল আর্সলানের সভাপতিত্বে সম্মেলনে আরো বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এসময় আওয়ামী লীগেরসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

About admin

আমার পোস্ট নিয়ে কোন প্রকার প্রশ্ন বা মতামত থাকলে কমেন্ট করে জানাতে পারেন অথরা মেইল করতে পারেন admin@sottotv.com এই ঠিকানায়।