নারকেল চারা যেভাবে বাড়িতে লাগালে দুই বছরের মধ্যে গাছ ভর্তি নারকেল হবে একদম নিচেই, রইল পদ্ধতি!

মাত্র ২ বছরে হাইব্রিড নারকেল গাছের ফসল ফলবে ৫ বছরের জন্য। যদিও আশ্চর্যজনকভাবে, দ্রুত বেড়ে ওঠা ছোট জাতের নারকেল গাছগুলি ৩ মাসের মধ্যে ফুল ফোটানো শুরু করে এবং দু তিন বছরে ফল ধরে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, যেসব উদ্ভিদ/ গাছ বাগান করে চাষের জন্য লাগানো হয়, সেগুলির মধ্যে প্রথম হল বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল নারকেল। ভিয়েতনামের এই জাতটি কৃষি মহলে সবচেয়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

এই গাছটি একটানা ৩-৫ বছর পর্যন্ত ফল ধরে। স্বাদ, আকার এবং পুষ্টিতে এটি অসাধারণ। এর জল খুব মিষ্টি এবং সুস্বাদু। এছাড়াও, ভারতের ‘গাঙবন্ধন’ জাতের নারকেল গাছ দ্রুত ফলাফল দেয়। দুয়া অ্যাক্সিম লু নারকেল জাতের উৎপত্তি থাইল্যান্ডে, যা ‘সিয়াম’ নামে পরিচিত। বিশেষত দক্ষিণ পূর্ব ও মধ্য থাইল্যান্ডে এই জাতের নারকেল ব্যাপকভাবে পরিচিত এবং জনপ্রিয়।

ম্যাজিক নারিকেল চারা রোপনের দুই বছরের মধ্যেই ধরে যাবে নারিকেল।

 

কৃষি মন্ত্রক বলেছে যে, এই ছোট জাতের হাইব্রিড নারকেল গাছ চাষে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। এই নারকেল গাছটি প্রচলিত গাছের চেয়ে প্রায় তিনগুণ বেশি ফল উৎপন্ন করবে। গাছটি ২ থেকে ৩ ফুট উঁচুতে উঠে ফলন শুরু করে। মাটিতে স্পর্শ করে নারকেলগুলো মাটিতে লেগে থাকতে দেখা যায়।

লবণাক্ততা সহন করার ক্ষমতা যুক্ত এই গাছটি সব ধরণের জমিতে চাষের জন্য উপযুক্ত। চারা যত্ন করা সহজ। সূত্র জানিয়েছে, কৃষি মন্ত্রণালয় দেশের বিভিন্ন জেলায় জন্মানো জাতের নারকেল ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। ‘পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে এই বছরব্যাপী ফল উৎপাদনের পদ্ধতি শুরু হয়েছে। এই ব্যাপারে সরকারি সহায়তা মিলছে কৃষকদের জন্য।

কিভাবে বাড়িতে নারিকেল গাছ লাগাবেন:

নারকেল গাছের ফুল ঝরা রোধ, ভিয়েতনাম নারিকেল গাছের পরিচর্যা, নারকেল গাছের বৈশিষ্ট্য, নারকেল গাছের রোগ, নারিকেল গাছে সার প্রয়োগ পদ্ধতি, নারিকেল গাছের রোগ ও প্রতিকার, নারকেল গাছের উপকারিতা, নারকেল গাছের ছবি, নারকেল গাছে কখন, কতটা সার দেবেন?, ভিয়েতনাম নারিকেল গাছের পরিচর্যা, নারকেল গাছের উপকারিতা

নারিকেল গাছের পরিচর্যা

নারিকেল বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান অর্থকারী ফসল। নারিকেলের ইংরেজি নাম Coconut। নারিকেলের বহুবিধ ব্যবহারের জন্য নারিকেল গাছকে কল্পবৃক্ষ বা স্বর্গীয় বৃক্ষ বলা হয়। ঔষধি গুণসম্পন্ন পানীয় হিসেবে ব্যবহারের পাশাপাশি নারিকেল দিয়ে বিভিন্ন রকম সুস্বাদু খাদ্য তৈরি হয় যেমন- পিঠা, মোয়া ইত্যাদি।

নারিকেল গাছের পরিচর্যা কিভাবে করতে হয়?

সার প্রয়োগ/ব্যবস্থাপনা:

ক) নারিকেল গাছের গোড়ায় মাটিতে পানি ও খাবার কম থাকলে কচি ডাব ঝরে পড়ে।

খ) পটাশিয়ামের অভাবে কচি ডাব বেশি ঝরে। এক্ষেত্রে মাটিতে পটাশিয়াম ও নাইট্রোজেন জাতীয় সার ব্যবহার করতে হবে।

গ) নারিকেল গাছের গোড়ায় চারদিকে ১.৮ মিটার দূরে বৃত্তাকার গর্ত করে ইউরিয়া ৪ কেজি, এমওপি ৬ কেজি, টিএসপি ১ কেজি এবং সামান্য লবণ দিতে হবে। খেয়াল রাখবেন লবণাক্ত এলাকায় লবণ দেয়া উচিৎ না।

আগাছা ও নিড়ানি:

ক) নারিকেল গাছের কিছু নিয়মিত পরিচর্যা করলে গাছের পুষ্টি উপাদানে ভারসাম্য আসে, পোকা ও রোগবালাই কম হয় এবং ফলন বৃদ্ধি পায়।

খ) এর মধ্যে আছে নিয়মিত নারিকেল গাছ বাছাই বা গাছ ঝাড়া, সুষম সার ও সার ও সেচ প্রয়োগ, ইঁদুর দমন এবং সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা অনুসরণ করা।

গ) ঝুনা নারিকেল বা ডাব সংগ্রহের সময় গাছের মাথা পরিষ্কার করে দেয়া ভালো। সাথে সাথে মরা ও হলুদ পাতা ফেলে দিতে হবে।

পোকামাকড় ও রোগ:

ক) নারিকেল গাছের ও ফলের ক্ষতিকর বালাই হলো পোকামাকড়, রোগবালাই ও ইঁদুর। পোকামাকড়ের মধ্যে আছে প্রধানত গণ্ডার পোকা, লাল কেড়ি পোকা ও উইপোকা।

খ) গণ্ডার পোকা ও লাল কেড়ি পোকা গাছের মাথায় আক্রমণ করে কচি অংশে ছিদ্র করে ভেতরের নরম অংশ খেতে থাকে। ফল গাছের মাথায় অসংখ্য ছিদ্র দেখা যায়।

গ) আক্রমণ বেশি হলে গাছের মাথা শুকিয়ে যায় ও গাছ মারা যায়। লাল কেড়ি পোকার ছিদ্রের মুখে বাদামী চটচটে গদের আঠার মতো রস গড়িয়ে পড়ে ও চিবানো কাঠের গুড়া দেখা যায়।

ঘ) কাণ্ডের গায়ে কান পাতলে কড় কড় শব্দ শোনা যায়। সামান্য বাতাসে গাছ ভেঙে পড়ে। বছরের যে কোন সময় এসব পোকা আক্রমণ করতে পারে।

ঙ) তবে উইপোকা চারার জন্য লাগানো নারিকেল ও কচি গাছকে বেশি আক্রমণ করে। অনেক সময় নারিকেল গাছের কাণ্ডে ঢিবি তৈরি করে কাণ্ডের যে অংশে ঢিবি করে সেই অংশ দুর্বল হয়ে গাছ ভেঙ্গে যায়।

পোকামাকড় ও রোগদমন:

ক) বাগান সব সময় পরিষ্কার রাখতে হবে বিশেষ করে গোবরের গাঁদা ও ময়লার স্তুপ পরিষ্কার করে সেখানে ৬০ সেন্টিমিটার বা ২৪ ইঞ্চি বা ১ ফুট গভীর করে ফুরাডান ও জি ১০ থেকে ১২ গ্রাম দিলে গণ্ডার পোকা বা লাল কেড়ি পোকা দমন হয়।

খ) আক্রান্ত গাছের ছিদ্রে শিক ঢুকিয়ে বা খুচিয়ে পোকা মারতে হবে। ছিদ্রে আলকাতরা বা তারপিন ঢেলে কাদা দিয়ে ছিদ্র মুখ বন্ধ করে দিলে ভেতরের পোকা মারা যায়।

গ) এতে যদি পোকা দমন না হয় তাহলে ২ মিলিলিটার বা ৪ ফোঁটা ডাইক্রোমেন ১০০ ইসি ১ লিটার পানিতে মিশিয়ে বা ৫.৭ সিসি বা ১১ ফোঁটা বাইড্রিন ৮.৫ ডব্লিউপি ৬ লিটার পানির সাথে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

ঘ) উইপোকার জন্য কড়া রোদ উঠলে নারিকেলের বীজতলার মাটি ওলটপালট করে দিতে হবে বা নারিকেলে বাগানে উইয়ের আক্রমণ দেখা দিলে জমি প্লাবিত করে রাখলে উইপোকা মারা যায়।

ঙ) এছাড়াও নারিকেলের বীজতলায় লাগানোর সময় ও মূল জমিতে নারিকেলের চারা লাগানোর সময় ও মূল জমিতে নারিকেলের চারা লাগানোর আগে ১ শতাংশ জমির মাটির সাথে ৪ গ্রাম বাইফেনথ্রিন ২০ ডব্লিউপি মিশিয়ে দিলে উইপোকার আক্রমণ কম হয়।

পোকামাকড় ও রোগ নিরাময়:

ক) নারিকেলের প্রধান রোগের মধ্যে আছে কুঁড়ি পচা, কাণ্ডের রস ঝরা ও পাতায় দাগ পড়া। কুঁড়ি পচা রোগ হলে গাছের মাথার সবচেয়ে সবচেয়ে কচিপাতাগুলো শুকিয়ে যায়।

খ) পাতা প্রথমে ধূসর বাদামি ও পরে গাঢ় বাদামি হয়ে গোড়ার দিকে ভেঙে পড়ে। আক্রান্ত জায়গা থেকে পচা দুর্গন্ধ বের হয় এবং জায়গাটি আঠার মত দগদগে দেখায়।

গ) গাছের আগার একেবারে মাঝের নরম কুঁড়ি পাতাটি পচে যায়, অবশেষে গাছ মরে যায়। একইভাবে নারিকেল, কাদি, কুঁড়ি প্রভৃতির গোড়া আক্রান্ত হয় ও ভেঙে পড়ে।

ঘ) কাণ্ডের রস ঝরা রোগে গাছের কাণ্ড লম্বালম্বিভাবে ফেটে যায়। ঐ ফাটা জায়গা দিয়ে লালচে বাদামি রঙের রস ঝরতে থাকে।

ঙ) রস ঝরার কিছু দিনের মধ্যে আবার তা শুকিয়ে কালো হয়ে যায়। এই ফাটা জায়গা আস্তে আস্তে পচতে শুরু করে।

চ) এছাড়া পাতার দাগ পড়া রোগে নারিকেলের পাতায় বিভিন্ন আঁকারের ধূসর-সাদা দাগ পড়ে। কয়েকটি দাগ মিলে বড় দাগের সৃষ্টি হয়।

ছ) আক্রমণ বেশি হলে পাতা শুকিয়ে যায়। কুঁড়ি পচা বা পাতার রোগ দেখা দিলে গাছের মাথা পরিষ্কার করে মাথায় মিশ্রণ ছিটাতে হবে।

জ) অথবা ৪০ গ্রাম ডায়থেন এম ৪৫ বা কপার অক্সিক্লোরাইড কুপ্রাভিট ৫০ ডব্লিউপি ১২ লিটার পানির সাথে মিশিয়ে স্প্রে করলে সুফল পাওয়া যায়।

ঝ) কাণ্ডের রস ঝরলে ফাটা ও পচা অংশ পরিষ্কার করে বোর্দো মিশ্রণ ১০ থেকে ১৫ দিন পর পর লাগাতে হবে। মিশ্রণের সাথে যেকোন কীটনাশক মিশিয়ে ফাটা অংশে লাগালে ভালো হয়। বাংলাদেশে নারিকেলের ফলন অত্যন্ত কম। প্রতি বিঘা জমিতে বছরে গড়ে প্রায় ৪০০ কেজি নারিকেলের ফলন হয়।

নারকেল গাছের উপকারিতা

নারিকেল অত্যন্ত সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর একটি ফল। নারিকেলের পানি, নারিকলের শ্বাস, নারিকেলের দুধ ও নারিকেলের তেল পুষ্টিগুণে ভরপুর এক উৎকৃষ্ট খাবার। এসবের পাশা-পাশি নারিকেলের ভেষজ গুণও রয়েছে।

আসুন নারিকেলের ভেষজ গুণ ও উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিই:

পরিচিতি: নারিকেল এরিকাসি পরিবারে কোকোস গণের গুরুত্বপূর্ণ ফল । এরা এই গণের একমাত্র জীবিত প্রজাতি। নারিকেল গাছ বিরাট উঁচু আকারের হয় এবং এর কোনো ডালপালা গজায় না । কচি নারিকেলকে ডাব বলে । নারিকেলের উপর যে স্তর থাকে তাকে ছোবড়া বলে। ছোবড়ার পরে একটি কঠিন খোলা বা খোলস থাকে । এই কঠিন খোলার ভিতরে সাদা রঙের শাঁস ও জল থাকে।

ব্যবহার: কচি নারিকেলকের ডাব পানীয় হিসেবে ব্যবহার করা হয়। পাশাপাশি নারিকেল গাছের প্রতিটি অঙ্গই কোন না কোন কাজে লাগে। এছাড়া ঝাল থেকে মিষ্টি- সব রকম রান্নায়ই নারিকেল ব্যবহার করা যায়। নারিকেল যেমন কাঁচা খাওয়া যায়, তেমনই তৈরি করা যায় মজার সব পিঠা, পায়েস, নাড়ু, সন্দেশ ইত্যাদি।

পুষ্টিগুণ: প্রতি ১০০ গ্রাম নারকেলে আছে ৩৫৪ ক্যালরী, ৩৩ গ্রাম ফ্যাট, ২০ মিলিগ্রাম সোডিয়াম, ৩৫৬ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম, ১৫ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট ও ৩.৩ গ্রাম প্রোটিন আছে। এছাড়াও ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন বি-৬ ও বি-১২ আছে।

ভেষজ গুণ: এটি পিত্তনাশক ও কৃমিনাশক। ফলের মালা/আইচা পুড়িয়ে পাথরবাটি চাপা দিয়ে পাথরের গায়ে যে গাম/ কাই হয় তা দাদ রোগের জন্য মহৌষোধ।

উপকারিতা: রোগ প্রতিরোধ: নারিকেল রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা বাড়ায়। লিভারের অসুখের ক্ষেত্রে হেপাটাইটিস সি, জন্ডিস ও অন্যান্য লিভারের অসুখে বেশ ভালো কাজ দেয় নারিকেলের দুধ।

শক্তি যোগায়: নারিকেলে অতিরিক্ত ক্যালরি থাকায় তাৎক্ষনিকভাবে শরীরে শক্তি যোগায়। তাই কাজের মাঝে ক্লান্তি আসলে বা হালকা ক্ষুধা পেলে নারিকেল খান, সাথে সাথে কর্মউদ্দীপনা জেগে উঠবে।

চুল ভালো রাখে: চুল ভালো রাখতে সাহায্য করে নারিকেল। নিয়মিত নারিকেল খেলে মাথায় খুশকি ও শুষ্কতা দূর হয় এবং চুল পড়া বন্ধ হয়।

ওজন কমায়: নারিকেল অতিরিক্ত ওজন কমাতে সহায়তা করে। এটি খুব অল্প ক্যালোরিতেই মেটাবলিজম বৃদ্ধি করে শরীরে শক্তি যোগায়। নারিকেল খেলে সহসা ক্ষুধাও লাগে না তাই ওজন কমে।

হার্ট সুস্থ রাখে: নারিকেল রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমিয়ে হার্টের সমস্যা দূর করে। নারিকেলে যে ফ্যাটি এসিডের চেইনগুলো আছে সেগুলো কোলেস্টেরল বাড়ায় না বরং আথেরোসক্লেরোসিসের ঝুঁকি কমিয়ে হার্ট ভালো রাখতে সহায়তা করে।

ইনসুলিন নিয়ন্ত্রণ: নারিকেল রক্তের ইন্সুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রনে রাখে এবং ডায়াবেটিস জনিত কারণে শরীরের ক্ষতি রোধ করে।

ত্বক কোমল করে: ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রেখে ত্বককে নরম রাখতে সাহায্য করে নারিকেল। নিয়মিত নারিকেল খেলে ত্বক কোমল ও সুন্দর হয়। এছাড়াও নারিকেল ত্বকে সহজে বয়সজনিত বলিরেখা পড়েতে দেয় না।

ক্যান্সার দূরে রাখে: নিয়মিত নারিকেল খেলে ব্রেস্ট ক্যান্সার, কোলন ক্যান্সার ও অন্যানো আরো কিছু ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে যায় অনেকখানি।

দাঁত ও হাড় মজবুত করে: হাড়ে ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম শোষণ করতে সাহায্য করে নারিকেল। এটি দাঁত ও হাড়ের গঠনে ভূমিকা রাখে। অস্ট্রিওপোরেসিস, অস্ট্রিও আর্থারাইটিস, যে কোনও হাড় সংক্রান্ত রোগের চিকিৎসায় নারকেল ঔষধ হিসেবে কাজ করে।

হজমশক্তি বাড়ায়: নারিকেল হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে এবং বিভিন্ন ভিটামিন, মিনারেল ও এমাইনো এসিড শোষন করে নিতে সহায়তা করে।নারিকেলের ভেষজ গুণ ও উপকারিতা শিরোনামে লেখাটি কৃষি তথ্য সার্ভিস থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।

About admin

আমার পোস্ট নিয়ে কোন প্রকার প্রশ্ন বা মতামত থাকলে কমেন্ট করে জানাতে পারেন অথরা মেইল করতে পারেন admin@sottotv.com এই ঠিকানায়।