সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক নিয়ে সৌদির ক্লাবে রোনালদো!

আগামী ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে আল নাসেরে খেলবেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। সৌদি আরবের ক্লাবটিতে আড়াই বছরের চুক্তি করতে যাচ্ছেন তিনি। ক্রীড়া বিষয়ক স্প্যানিশ শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম মার্কার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

চলমান কাতারে বিশ্বকাপ শুরুর কয়েকদিন আগে নিজের ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে নিয়ে বোমা ফাটান রোনালদো। ৩৭ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড ক্লাবটির কোচ ও মালিককে নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন। ম্যানচেস্টারও তার সঙ্গে চুক্তির সম্পর্ক শেষ করে দিয়েছে।

এরপর থেকেই রোনালদোর প্রতি আগ্রহ দেখায় সৌদি ক্লাব আল নাসের। তবে ইউরোপের শীর্ষ কোনও ক্লাবের ডাক পাওয়ার প্রতীক্ষায় তাদের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন ৩৭ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড।

অপেক্ষার পালা শেষ, কারও কাছ থেকে সাড়া না পাওয়ায় আরবীয় ক্লাবে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে সম্মতি দিয়েছেন পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী। ১০ কোটি ইউরোতে রোনালদোর সঙ্গে চুক্তি হতে যাচ্ছে আল নাসেরের। কিন্তু প্রতি মৌসুমে সিআরসেভেন পাবেন প্রায় ২০ কোটি ইউরো, যা তাকে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ফুটবলারের মর্যাদা দেবে।

মেসির সঙ্গে ছবি তুলতে দাঁড়িয়ে রইলেন অজি ফুটবলাররা

চলমান কাতার বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে অস্ট্রেলিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে গেছে আর্জেন্টিনা। গোল করেছেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি এবং জুলিয়ান আলভারেজ। পরাজয়ের পর স্বাভাবিকভাবেই অজিদের মন খারাপ ছিল। কিন্তু তাদের কয়েকজনকে দেখা গেল আর্জেন্টিনার ড্রেসিংরুমের সামনে। সবাই খুঁজছেন লিওনেল মেসিকে!

গত শনিবার রাতের ওই ম্যাচে লিওনেল মেসির বিপক্ষে খেলতে পারাই যেন অজি ফুটবলারদের জন্য বিরাট একটা ব্যাপার। তাই মেসির গোলে হারলেও তার সঙ্গে ছবি তুলতে আর্জেন্টিনার ড্রেসিংরুমের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার ফুটবলাররা।

যাদের মাঝে ছিলেন ক্রেগ গুডউইন, কিয়ানো বাক্কাস, জোয়েল কিং ও মার্কো টিলিওরা। একটু পরই সেখানে উপস্থিত হন মেসি। প্রথমে নিজের কাজে চলে যেতে চাইলেও অজি ফুটবলারদের ছবি তোলার অনুরোধে ঘুরে দাঁড়ান।

হাসিমুখে একে একে সবার আবদার মিটিয়ে চলে যান ড্রেসিংরুমে। ম্যাচের পরবর্তী দুই দিনে এই ঘটনার ভিডিও সোশ্যাল সাইটে ভাইরাল হয়ে গেছে। উল্লেখ্য, এই ম্যাচ দিয়েই নক-আউট পর্বে প্রথম গোল করলেন পাঁচ বিশ্বকাপ খেলা মেসি।

Check Also

Lamar University Study Abroad Programs

Studying abroad is an experience that goes beyond academic learning; it’s a chance to grow …