‘গোল্ডেন বল’ এমবাপ্পেকেই দেওয়া উচিৎ ছিল: রোনালদো

কাতার বিশ্বকাপটা স্বপ্নের মতো কাটিয়েছেন লিওনেল মেসি। নিজের শেষ বিশ্বকাপে পেয়েছেন শিরোপা, নিজেও জিতেছেন ‘গোল্ডেন বল’। মেসির হাতে ওঠতে পারতো ‘গোল্ডেন বুট’ও। তবে ফাইনালে শেষ দিকে পাওয়া পেনাল্টিতে গোল করে ‘গোল্ডেন বুট’ জিতে নিয়েছেন ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে।

ব্রাজিলীয় কিংবদন্তি রোনালদো নাজারিও মনে করেন, শুধু ‘গোল্ডেন বুট’ নয়, ‘গোল্ডেন বল’টাও প্রাপ্য ছিল এমবাপ্পের।
রোনালদো বলেন, ‘বিশ্বকাপে খেলোয়াড়টি আমাকে সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ করেছে সে হলো কিলিয়ান এমবাপ্পে। দারুণ একটা বিশ্বকাপ কাটিয়েছে সে। প্রথম ম্যাচ থেকে ফাইনাল পর্যন্ত ভালো খেলেছে। এমনকি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে ও মরক্কোর বিপক্ষে সেমিফাইনালে গোল না পেলেও সে ছিল দুর্দান্ত। সে অ্যাসিস্ট করে অবদান রেখেছে। ’

১৯৯৪ ও ২০২২ সালে ব্রাজিলের হয়ে বিশ্বকাপ জেতা রোনালদো আরো বলেন, ‘ফাইনালে সে (এমবাপ্পে) ছিল একেবারেই অন্য পর্যায়ে। টাইব্রেকারসহ চারটি গোল করেছে। টেকনিক্যালি সে ছিল সবার ওপরে। সে অপ্রতিরোধ্য ছিল। তাকে বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারটা (গোল্ডেন বল) দেওয়া উচিৎ ছিল কারণ এটা তারই প্রাপ্য ছিল। ’

কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা যে ছয়টি ম্যাচ জিতেছে, এর পাঁচটিতেই ম্যাচসেরা হয়েছিলেন মেসি। এমবাপ্পের চেয়ে গোল একটি কম ছিল আর্জেন্টাইন অধিনায়কের। এমবাপ্পের ছিল ৮ গোল, মেসির ৭। তবে মেসি এগিয়ে ছিলেন অ্যাসিস্টে।

মেসিদের সঙ্গে দেখা না হওয়ায় আর্জেন্টিনা প্রেসিডেন্টের দুঃখ প্রকাশ

কাতার বিশ্বকাপ জিতে দেশে ফেরার পর জনসাধারণের সঙ্গে উদযাপন করেছে আর্জেন্টিনা ফুটবল দল। কিন্তু লিওনেল মেসিদের সঙ্গে এখনো সাক্ষাত হয়নি আর্জেন্টিনা প্রেসিডেন্ট আলবার্তো ফার্নান্দেসের। এজন্য অবশ্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন তিনি।

১৯৭৮ ও ১৯৮৬ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ কাসা রোসাদায় উদযাপন করেছিল আর্জেন্টিনা ফুটবল দল। কিন্তু এবার তেমনটা হয়নি। প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে আসার নিমন্ত্রণ দেওয়া হলেও সেটা গ্রহণ করেনি আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ)। তাতে অবশ্য মন খারাপ করেননি ফার্নান্দেস। সিদ্ধান্তটি যেহেতু এএফএ-এর ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল তাই সেই সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়েছেন তিনি।

রেডিও কন ভোসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আর্জেন্টিনা প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘এনিয়ে অনেক জল্পনা-কল্পনা চলছে। আমি পুরোপুরি একজন ফুটবল ভক্ত এবং সত্যিটা হলো আমি এই বিষয়গুলো ভিন্নভাবে দেখি। আমি জানতাম যে, তারা আসবে না। আমি এএফএকে জানিয়েছিলাম, যদি তারা চায় কাসা রোসাদা তাদের জন্য তৈরি আছে। কিন্তু তারা অন্য কিছু বেছে নিয়েছে। এনিয়ে আমার কোনো সমস্যা নেই। ’

প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে উদযাপনের জন্য কোনো রাজনৈতিক ও সরকারি কর্মকর্তাকে নিমন্ত্রণ দেননি ফার্নান্দেস। কারণ ফুটবলকে রাজনীতি থেকে দূরেই রাখতে চেয়েছেন তিনি, ‘এই শিরোপা তারা জিতেছে আমরা নই। আমি সম্ভবত একমাত্র মানুষ যে তাদের বরণ করিনি। তবে আমি এটাও বিশ্বাস করি যে, আমি একমাত্র প্রেসিডেন্ট যার মেয়াদে এই দল কোপা আমেরিকা, ফিনালিসিমা ও বিশ্বকাপ জিতেছে। ’

Check Also

Lamar University Study Abroad Programs

Studying abroad is an experience that goes beyond academic learning; it’s a chance to grow …