মেক্সিকো ম্যাচকেই ‘ফাইনাল’ ভাবছে আর্জেন্টিনা

কাতার বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে সৌদি আরবের কাছে ২-১ গোলের হারে দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে আর্জেন্টিনার। গ্রুপপর্বের বাকি দুই ম্যাচই জিততে হবে আলবিসেলেস্তেদের। একটি হার কিংবা ড্রও ছিটকে দিতে পারে তাদের।

আর্জেন্টিনা শিবির সেটা ভালো করেই জানে। দলের প্রতিনিধি হয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসা লওতারো মার্টিনেজ জানালেন, তারা মেক্সিকো ম্যাচকে ‘ফাইনাল’ ধরে খেলবেন। মার্টিনেজ বলেন, এটা আমাদের জন্য ফাইনালের মতো। আমরা নিজেদের ওপর কতটা বিশ্বাস রাখছি, এই ম্যাচটিই ঠিক করে দেবে।

আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড যোগ করেন, মানসিকভাবে সেটা (সৌদির কাছে হার) আমাদের জন্য ছিল বড় ধাক্কা। তবে আমরা শক্তিশালী একটা দল যারা একতাবদ্ধ আছি। আমাদের শান্ত থাকতে হবে। সেই ধাক্কা কাটিয়ে সামনের কথা ভাবতে হবে। আমাদের সামনে এখন মেক্সিকো। আমরা তাই জয়ের দিকেই ফোকাস করছি, অন্য কিছুতে নয়।

সৌদি আরবের বিপক্ষে ম্যাচে আর্জেন্টিনাই আক্রমণে এগিয়ে ছিল। কিন্তু অফসাইডের ফাঁদে পড়ে তিনটি গোল বাতিল হয় তাদের। লওতারো মনে করছেন, তারা ভুল করেছেন। আর্জেন্টাইন তারকার কথা, আমরা আশাবাদী। আমরা হেরেছিলাম ছোটখাটো ভুলের জন্য। এটা আমাদেরই ভুল। তবে আমরা পরের ম্যাচের প্রতিপক্ষ নিয়ে গবেষণা করেছি। আমার মনে হয় আমরা প্রস্তুত।

হোঁচট খাওয়ার পর কীভাবে ঘুরে দাঁড়াতে হয়, সেটা আর্জেন্টিনা জানে: জাহিদ হাসান

চলতি কাতার বিশ্বকাপে অভিনেতা জাহিদ হাসান আর্জেন্টিনার সমর্থক হলেও তিনি ভালো খেলা দলেরও সমর্থক। তার ভাষ্য, আমি আর্জেন্টিনা সমর্থন করি, কিন্তু আমি সব সময় ভালো খেলার পক্ষে। এর আগে প্রথম ম্যাচে সৌদি আরবের বিপক্ষে হেরেছে জাহিদ হাসানের প্রিয় দল আর্জেন্টিনা। আজ দলটি মেক্সিকোর মুখোমুখি হচ্ছে। আজকের ম্যাচ আর্জেন্টিনার জন্য জীবন-মরণ লড়াইয়ের।

কিন্তু জাহিদ হাসান ম্যাচটিকে চাপ মনে করছেন না। কারণ তার বিশ্বাস হোঁচট খাওয়ার পরও কীভাবে ঘুরে দাঁড়াতে হয়, সেটা আর্জেন্টিনা বেশ ভালোভাবেই জানে। প্রথম ম্যাচ হারলেও আর্জেন্টিনা এবার ঘুরে দাঁড়াবে বলেই তার বিশ্বাস।

এ বিষয়ে জাহিদ হাসান বলেন, ‘হোঁচট খাওয়ার পরও কীভাবে ঘুরে দাঁড়াতে হয়, তার উদাহরণ যুগ যুগ ধরে দিয়ে এসেছে আর্জেন্টিনা ফুটবল দল। তাই এই দলের প্রতি কখনও বিশ্বাস হারাইনি।’

এদিকে আর্জেন্টিনার অন্য সমর্থকদের মতো জাহিদ হাসানও প্রতীক্ষার প্রহর গুনে যাচ্ছি লিওনেল মেসির বিশ্বকাপ ট্রফি উঁচিয়ে ধরার মুহূর্তটির। তিনি বলেন, দিয়েগো ম্যারাডোনা যেভাবে বিশ্বকাপ ট্রফি উঁচিয়ে ধরে আমাদের আনন্দে আত্মহারা হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন, সেটাই এবার মেসি করে দেখাবেন বলেই আমার বিশ্বাস।’

কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের খতিব বাংলাদেশের মিনহাজ

বর্তমানে কাতার ইউনিভার্সিটির কেন্দ্রীয় মসজিদে খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী মুহাম্মদ মিনহাজ উদ্দিন। তিনি সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চতর আরবি ভাষা কোর্সে পড়াশোনা করছেন। বিশ্বখ্যাত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কেন্দ্রীয় মসজিদের দায়িত্ব পালন করতে পেরে তিনি আনন্দ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। মুহাম্মদ মিনহাজ উদ্দিন চট্টগ্রামের জামেয়া দারুল মাআরিফ আল-ইসলামিয়ায় আরবি ভাষা ও সাহিত্য এবং ইসলামিক ফিকহে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন।

এদিকে শিক্ষাসমাপনের পর সেন্টার ফর ইসলামিক থটে রিচার্স ফেলো হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অতঃপর দেশের শীর্ষ অনলাইন গণমাধ্যম বাংলানিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম, দৈনিক দেশ-রূপান্তর ও ঢাকাপোস্টে বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আল-হামদুলিল্লাহ! এখানে আসার পর দ্বিতীয় সপ্তাহে খতিব হিসেবে দায়িত্ব লাভ করি। বাংলাদেশি অগ্রজ শিক্ষার্থী কাতার ইউনিভার্সিটির কেন্দ্রীয় মসজিদের সাবেক ইমাম ও খতিব আবু তালেব বিশেষভাবে সহযোগিতা করেন। তাঁরও আগে এখানে খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি শিক্ষার্থী ও ভার্সিটির ইবনে খালদুন গবেষণা সেন্টারের কর্মকর্তা হোছাইন মোহাম্মদ নাইমুল হক। তাঁরা উভয়েই কাতারের আমিরের পক্ষ থেকে কৃতী শিক্ষার্থী হিসেবে স্বর্ণপদক লাভ করেছেন।’

কাতার ইউনিভার্সিটির খতিব মুহাম্মদ মিনহাজ উদ্দিন আরও জানান, ‘কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের খতিবের দায়িত্ব পালনে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সুনাম ও ঐতিহ্য রয়েছে। যেমন গত বছর আশরাফুল হাসান ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।’

জানা যায়, মুহাম্মদ মিনহাজ উদ্দিনের জন্ম ও বেড়ে ওঠা চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে। তিনি বারইয়ারহাট পৌরসভায় অবস্থিত মসজিদুল আবরারের ইমাম ও খতিব মাওলানা মুহাম্মদ সিরাজ উদ্দিনের বড় সন্তান। তিনি নিজের ও পরিবারের জন্য দোয়া কামনা করেন। ভার্সিটির মসজিদে বিভিন্ন দেশের চারজন ইমাম ও দুজন খতিব রয়েছেন। তাঁরা পালাক্রামে ইমামতি ও খতিবের দায়িত্ব পালন করে থাকেন।

Check Also

Lamar University Study Abroad Programs

Studying abroad is an experience that goes beyond academic learning; it’s a chance to grow …