লজ্জাজনক হারের পর যা বললেন সাকিব

হারটাকে লজ্জাজনক বলাই যায়। কারণ দক্ষিণ আফ্রিকার একজন ব্যাটসম্যানের রানও তুলতে পারেনি পুরো বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ মিলে। সিডনিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দ্বিতীয় ম্যাচে প্রোটিয়াদের বিপক্ষে ১০৪ রানের বিশাল ব্যবধানে হেরেছে সাকিব বাহিনী।

টসে জিতে আগে ব্যাটিং করে বাংলাদেশকে ২০৬ রানের টার্গেট দিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। যেখানে প্রোটিয়া ব্যাটার রাইলি রুশো করেছেন ১০৯ রান। জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশৈর ইনিংস থেমেছে ১০১ রান। ফলে ১০৪ রানের বিশাল হারের মুখ দেখেছে টাইগাররা।

এমন ম্যাচ হারের পর টাইগার অধিনায়ক সাকিব মনে করেন, প্রোটিয়াদের হয়ে রেকর্ড জুটি গড়া রুশো আর ডি ককের ব্যাটিংয়ের কাছেই হেরে গেছে বাংলাদেশ।

তিনি বলেন, ‘নির্দিষ্ট ব্যাটারদের নিয়ে আমাদের নির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছিল। রুশোকে নিয়েও পেসারদের কিছু পরিকল্পনা ছিল। আমরা যেভাবে বল করতে চেয়েছি সেভাবে করতে পারিনি। রুশো সেট হয়ে গেলে কত ভয়ানক ব্যাটার হয়ে ওঠে আমরা জানি। আজ সেটাই দেখাল। আমরা ম্যাচে ফেরার খুব বেশি সুযোগ পাইনি। রুশো ও ডি কককে কৃতিত্ব দিতেই হবে, তাদের পার্টনারশিপই ম্যাচ ছিনিয়ে নিয়েছে।’

সোহানের ভুলে পাঁচ রান পেনাল্টি দিল বাংলাদেশ

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে নাজেহাল অবস্থায় পড়েছে বাংলাদেশের বোলিং লাইনআপ। রাইলি রুশো ও ডি ককের ব্যাটিং তান্ডবের সামনে দাড়াতেই পারছে না তাসকিন-সাকিবরা। আগুনে মেজাজে সেঞ্চুরির পথে হাটছে রুশো, অন্যদিকে তাকে অনুসরণ করছে ডি কক’ও।

১৩তম ওভারে দ্বিতীয় ছক্কা মেরে ৩৩ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করলেন কুইন্টন ডি কক। ১৪তম ওভারের প্রথম বলে ছক্কা মেরে দলকে দেড়শতে নেন তিনি। অন্যদিকে নিজের অর্ধশতক পূরণের পর বর্তমানে ৯৫ রান নিয়ে অপরাজিত থেকে ব্যাট করছেন রাইলি রুসো।

বোলাররা যখন রান দিয়েই যাচ্ছে তখন উইকেটরক্ষক নুরুল হাসান সোহানের বোকামিতে আরও ৫ রান জরিমানা গুনতে হয়েছে বাংলাদেশকে। ১১তম ওভারে সাকিব আল হাসান বল করার আগেই নিজের পজিশন বদল করেছেন উইকেটরক্ষক সোহান। ফলে আইসিসির নিয়ম ভাঙায় শাস্তি পেতে হয়েছে বাংলাদেশকে। দক্ষিণ আফ্রিকার স্কোরবোর্ডে যোগ হয়েছে পাঁচটি পেনাল্টি রান।

এমনিতেই সেই ওভারে সাকিব খরচ করেছেন ২১ রান। তারপর সোহানের বোকামিতে আরও ৫ রান যোগ হওয়ায় ১১ তম ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার স্কোরবোর্ডে যোগ হয়েছে মোট ২৬ রান।

Check Also

Lamar University Study Abroad Programs

Studying abroad is an experience that goes beyond academic learning; it’s a chance to grow …